1. admin@shadhinkantho24.com : admin@shadhinkantho24.com :
  2. shadhinkantho24@gmail.com : sr 2013 : sr 2013
মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
স্বাধীন কন্ঠ ২৪. কম পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাকে স্বাগতম
শিরোনাম
বাবুগঞ্জে ওসি মিজানুর রহমান যোগদানের পর কমেছে অপরাধ প্রবনতা বরিশালে বেইলী ব্রীজ ভেঙ্গে সড়ক পথে যোগাযোগ বন্ধ, কাঠের সাঁকো তৈরি করে অবৈধ টোল আদায়! বাবুগঞ্জে কর্মসূচির টাকায় রাস্তা করে প্রশংসায় ভাসছেন ইউপি মেম্বার আ’লীগের ঘরে অনুপ্রবেশকারী বরিশালে সাবেক এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ফিরিস্তি ! অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে উত্তাল রহমতপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই) কাশিপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ,১৫ গাছ কর্তন সোনাগাজীতে সিএনজি শ্রমিকদের পরিবারকে শ্রমিক ইউনিয়নের আর্থিক অনুদান প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে যার কাজ! বরিশালে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল বরিশালে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

যদি মন থেকে পড়েন চোঁখে জল চলে আসবে……

  • মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:মন থেকে যদি পড়েন- আচ্ছা তোমার বাইক নাই কেন? জানো আমার বেশিরভাগ বান্ধবীদের বয়ফ্রেন্ডের বাইক আছে! তোমার জন্য ওদের সামনে আমি মুখ দেখাতে পারি না.আচ্ছা তুমি আমাকে নিয়ে রেস্টুরেন্টে যাও না কেন?

আমার বান্ধবীরা তাদের বয়ফ্রেন্ডের সাথে রেস্টুরেন্টে গিয়ে একটা কফিতে দুটো স্ট্র দিয়ে রোমান্স করে খায়! আর আমি বাদামেই সীমাবদ্ধ থাকি!!

আচ্ছা স্পেশাল দিনগুলোতে যেমন ভ্যালেন্টাইনসে আমার সাথে থাকো না কেন? তুমি বোঝ না কেন আমি ফ্রেন্ডদের সামনে তোমাকে নিয়ে দারাতে পারি না!!

তোমার ডি.এস.এল.আর আছে! কোনদিন তো একটা ছবিও স্মৃতি হিসাবে তুললে না! বান্ধবীরা ওদের বয়ফ্রেন্ডদের সাথে সেলফি তুলে এফবি তে দেয় যেটা আমি কোনদিনও পেলাম পারলামও না!!

শুধু এটাই না! জীবনে কোনদিন আমার জন্য সামান্য চুলের ক্লিপ কিনেছো? বান্ধবীদের বয়ফ্রেন্ডরা তাদের কত দামী দামী গিফট দেয় জানো? কেউ কেউ তো ল্যাপটপ পর্যন্ত গিফট করেছে! আর তুমি?
ছি!!!

এভাবে চললে আমি রিলেশনশিপটা কন্টিনিউ করতে পারবো না। আমি ব্রেকআপ চাই…..!

আমি চুপ করে আনিকার কথা শুনলাম! মেয়েটাকে মুক্তি দিলেই ভাল হবে! তবে যেতে দেয়ার আগে তাকে কিছু কথা বলা জরুরী.
ঠিক আছে তুমি ব্রেকআপ নিয়ে নাও। এটাতে তো ডিভোর্সের মত খরচাপাতি লাগে না! তবে তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই।
বলা, তোমার শেষ ইচ্ছাটাও পুরণ করি!

জানো তোমাকে আমার ফ্রেন্ডরা ভাবী বলে ডাকে যা তোমার বান্ধবীরা কোনদিনও আমাকে দুলাভাই বা ভাই বা ভাইয়া কোনটাই বলে নি!
জানো তোমাকে নিয়ে আমার বন্ধুরা কত কথা বলে! কত প্রশংসা করে! যেখানে তোমার বান্ধবীরা শুধু আমার বদনামই করে!

আমার বাইক নেই দেখে তোমাকে অনেক কথা শুনতে হয়? কিন্তু বাইক নেই বলে আমার তোমার জুটিটার যে সবাই প্রশংসা করে! ওরা বলে, “ভাবী তো খুব ভাল! তোর প্রেম বাইক ছাড়াও টিকে আছে!”

রেস্টুরেন্টে যাই না বলে বান্ধবীদের সামনে মুখ পাও না! অথচ বাদাম খাই দেখে কত গরীর ছেলে মেয়ের দিনে এক বেলা খাওয়ার টাকা পায় সেটার খেয়াল তুমিও রাখো না তোমার বান্ধবীরাও রাখে না!

ভ্যালেন্টাইনসেতোমাকে নিয়ে বের হই না দেখে তোমার প্লেসটা বান্ধবীদের সামনে ধূলিসাৎ হয়ে যায়! তুমি কি জানো তোমার সাথে কাটানো প্রতিটা দিনই আমার কাছে ভ্যালেন্টাইন আর বন্ধুরা ভ্যালেন্টাইনের উৎকৃষ্ট জুটি বলে!

আর কি বললে DSLR!! কেন তোমার ছবি যে আমার চোখের সামনে আর হৃদয়ে সবসময় টাঙানো থাকে! এর চেয়ে বেশি আর কি চাও? তোমার বান্ধবীরা এপর্যন্ত কতগুলো ছেলের সাথে রিলেশন করেছে আর কতগুলোর সাথে বেইমানি করেছে তা জানো? তাদের আচরণে আর কথায় তুমিও এমন হবে?

তোমাকে নিয়ে যেসব গল্প, গান লিখেছিলাম, যেসব মন ছোয়া চিঠি লিখেছিলাম সেগুলা এখন সারা পৃথিবী খুজলে পাবে? তখনতো খুব তারিফ করতে আমার! আর কোনদিন কার বয়ফ্রেন্ড কাকে মোবাইল ল্যাপটপ দিয়েছে তার কাছে আমার ছোট কাগজ গুলো অর্থহীন হয়ে গেল!!!

চলে যেতে চাও? যাও আমি বাধা দেব না। জোর করে সব পাওয়া গেলেও ভালবাসা পাওয়া যায় না। যাও তুমি! আমার বন্ধুরা বলতো, “ভাবীর মত একটা মেয়ে যদি আমাদের কপালে জোটে তাহলে সারাজীবন আগলে রাখবো…!” তবে আজকের পর থেকে এসব কথা মিথ্যা হয়ে যাবে! পৃথিবীতে এর কোন সম্মান থাকবে না!
ভাল থেকো !

আমি চলে যাচ্ছি! হঠাৎ করে পেছন থেকে আনিকা আবার ডাকলো!

ওই দারাও! যাওয়ার আগে আমার ব্রেকআপ ফেরত নিয়ে যাও! এই ব্রেকআপ আমার দরকার নেই!
ওর কথাটা শুনে আমার চোখে জল চলে এলো! ছুটে এসে আমার বুকে কেঁদে দিয়ে মুখ লুকালো!
আমারও মনে হচ্ছে দেহে প্রাণ ফিরে এল!!,

বাসর ঘরে বৌয়ের মুখ থেকেই শুনতে পাই সে…

বিয়ের পর যখন,আমি বাসরঘরে গেলাম। তখন আমার বউ এর মুখ থেকে শুনতে পাই সে ধর্ষিতা! কথাটা শুনে যে, কোনো ছেলের-ই কিছু সময়ের জন্য পৃথিবীটা উল্টে যাবে। কিন্তু,আমি একটুও অবাক হইনি।

সাধারণত বাসর রাতে সবাই তাদের ভবিষ্যৎ জিবনের গল্প করে। কিন্তু, আমার বউ তার, ধর্ষণ হবার গল্প করেছে। আমি চাইলে তাকে ওখানেই ফিরিয়ে দিতে পারতাম। কিন্তু,সেটা করিনি কারণ,তাহলে মেয়েটা সকল পুরুষ জাতিকে জানোয়ার ভাবতো।

আমি বিচলিত হই তখন-ই। যখন,জানতে পারি একটা মানুষ রুপি জানোয়ার শুধু মাত্র তার পূরুষত্বের চাহিদা মেটানোর জন্য একটা মেয়ের সতিত্ব হরন করেছে।

আমি সেই রাতেই ভেবে নিয়েছিলাম আমার জন্য যদি একটা মানুষ তার শেষ হয়ে যাওয়া জীবন টা নতুন করে সাজাতে পারে তাহলে, দোষ কি। তাই, সব হাসি মুখে বরন করে নিই। বিয়ের সপ্তাহ খানেক পরে ওর বমি, বমি ভাব,,,,মাথা-ব্যাথ এইসব যখন শুরু হয় তখন ল, ও খুব ভয় পেয়ে গেছিলো।

আর,কেউ কিছু বুঝে ফেলার আগেই,, আমি আমার লজ্জা সরমের মাথা খেয়ে এটা রটিয়ে দিই যে,আমি বিয়ের আগে ওর সাথে শারীরিক ভাবে মেলা মেশা করি। এর জন্য আমি পরিবার থেকে ত্যাগ হয়েছি।

কিন্তু, ওকে ত্যাগ করতে পারিনি। প্রতিরাতই ও খুব কান্না করতো যে, আমি যদি কোনো একদিন ওর পাশে না থাকি তাহলে ওর কি হবে। তখন আমি ওর চোখের পানি মুছে দিয়ে বুকে জড়িয়ে বলতাম আমি আছিতো পাগলি।

আর, সব সময় এভাবেই তোমার পাশে থাকবো। তখন ও একটু ভরসা পেতো। একদিন ও আমাকে বলেছিলো যে, ও আমাকে ঠকানোর পরো কেনো আমি ওর সাথে বন্ধুর মতো আচরণ করি।

জবাবে আমি বলেছিলাম, কেও ওকে বিশ্বাস করিয়ে ঠকিয়েছিলো সেটা ছিলো ওর নিয়তি। আর আমি সে নিয়তি কে মুছে দিতে চেয়েছি। ও সন্তান টা নষ্ট করতে চেয়েছিলো। কিন্তু,আমি না করি। কারণ সব কিছুই তো আমি মেনে নিয়েছি ঘর ছাড়াও হয়েছি।

তাহলে একটা নিষ্পাপ বাচ্চা কি দোষ করেছে যে, পৃথিবীর আলো দেখার আগেই তাকে বিদাই নিতে হবে। তাই আর বাচ্চা টা নষ্ট করতে দেইনি। বিয়ের ৭ মাস পর ওর প্রসব ব্যাথা উঠে। ও এবং আমি দুজনেই জানতাম যে ওই বাচ্চা টা আমার না।

তার পরও আমি সেই সময় দূরে সরে যাইনি। পাশে থেকেছি। একজন মা ওই সময় তার সন্তান কে বাঁচানোর জন্য নিজের সাথে জিবন মরণ লড়াই করে। কিন্তু,নিয়তি ওকে আবারো ঠকালো। বাচ্চা জন্মনিলো ঠিকি কিন্তু মৃত!

একটা মৃত সন্তান জন্ম হবার কি যে বেদনা, সেটা কেবল একজন মা-ই জানে। এর পর দেখতে দেখতে কেটে গেলো ৫ বছর। আজও ও আর মা হতে পারেনি।

সেই দিনই মাত্রীত্বের স্বাধ হারিয়েছে ও। আমি ওকে জিবনে ঠাঁই দেবার পর থেকে অনেক ,বিপদের মুখোমুখি হয়েছি। অনেক বাধা এসেছে।অনেক কিছু ছেড়েছি। কিন্তু ওকে ছাড়িনি।

ওর বেচে থাকার মূল খুটি টাই আমি। সারাদিন-রাত যখন কাজ করে মৃতপ্রায় শরীর নিয়ে বাড়ি ফিরি তখন, ওর মুখের একটু হাসি আমাকে শুধু শান্তিই দেয়না।আমি আবার প্রাণ ফিরে পাই। প্রতিটা সময় ও একটা কষ্টের ভিতর পড়ে থাকে।

রাতে আমার বুকে মাথা রেখে কেঁদে কেঁদে যখন,আমার জামা ভিজিয়ে ফেলে তখন আমি ওকে সাহস দেই। নতুন একটা স্বপ্ন দেখাই। হাজারো ব্যাথা বুকে চাপা দিয়ে ওকে একটু হাসি খুশি রাখা টাই আমার নৃত্য দিনের কাজ। এভাবে ওকে ভালো রাখা টা এখন রুটিন হয়ে গেছে। এর মধ্যে মেয়েটা সুইসাইড করতেও গিয়েছিলো।

কিন্তু পারেনি। আমি ওকে কখনো স্ত্রী মনে করিনি। নিজের দুনিয়া মনে করে সব সময় আগলে রেখছি। ওর সব আবদার পূরণ করেছি। আমি ওর সব ভুল গুলো শুধরে দিয়ে ওকে নতুন জীবন দান করেছি। যে আল্লাহ্‌ কে সাক্ষী রেখে কলেমা পড়ে ওকে বিয়ে করার সময় যে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম।

যে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমি ওর সাথে থাকবো, ওর কোনো ক্ষতি হতে দেবোনা। আর আমি আমার প্রতিজ্ঞা অটল ভাবে রেখে চলেছি। আমি বাবা হতে পারিনি ঠিকি। কিন্তু, ওর কাছে একজন শ্রেষ্ঠ স্বামী হতে পেরে

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

Categories

©  স্বাধীন কন্ঠ ২৪. কম কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত